বিশ্ব ইউরোলজি ফাউন্ডেশন প্রো-স্টেট রোগের জন্য উদ্ভাবনী ওষু-ধে ভর্তুকি দিচ্ছে।
এই ওষুধের সম্পূর্ণ কোর্স প্রো-স্টেটাইটিস ও অন্যান্য প্রো’স্টেট-সংক্রান্ত সমস্যাগুলো আজীবনের জন্য দূর করতে সাহায্য করে। প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিক অনলাইন ফর্ম পূরণ করে একটি কার্যকর ওষু’ধ বিশেষ মূল্যে পেতে পারেন। ফর্মটি এই সংবাদ নিবন্ধের শেষ অংশে দেওয়া হয়েছে।
২০২৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রো/স্টেট সমস্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।
গত ১০ বছরে ৪০ ঊর্ধ্ব পুরুষদের মধ্যে প্রস্রা-বজনিত সমস্যার সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
এই রোগ গোপনে বাড়ে, এজন্য একে “নীরব ঘাতক” বলা হয়।
প্রতিদিন হাজারো পুরুষ ঘন ঘন প্র’স্রাব, জ্বালাপোড়া, রাতের বেলা ঘুমে বিঘ্ন, যৌ/ন দুর্ব-লতা ও ব্যথার মতো উপসর্গে ভুগছেন – কিন্তু চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন না।
চিকিৎসাবিদদের মতে, অবহেলা এবং কার্যকর চিকিৎসার অভাব আগামী দশকে বাংলাদেশের পুরুষ স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।
বাস্তবে, প্রো-স্টেট সমস্যাগুলো এখন জাতীয় স্তরের স্বাস্থ্যসংকটের আকার নিচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ব ইউরোলজি ফাউন্ডেশন একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশের মানুষের সহায়তায়। সংগঠনটি Prostulin F নামক একটি উদ্ভাবনী ওষুধের সরবরাহ শুরু করেছে, যা ছাড়মূল্যে জনগণের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।
বিশ্ব ইউরোলজি ফাউন্ডেশন ২৫,০০০টি Prostulin F প্যাকেজ ছাড়মূল্যে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এটি একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, হাইপো/অ্যালার্জেনিক ওষুধ, যা প্রোস্টে/টাইটিসের যেকোনো ধাপে ব্যবহারে নিরাপদ। প্রতিরোধমূলকভাবেও এটি কার্যকর।
বিশ্ব ইউরোলজি ফাউন্ডেশন ২৫,০০০টি Prostulin F প্যাকেজ ছাড়মূল্যে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
Prostulin F-এর পরীক্ষিত ফলাফল:
৯৫% রোগী ৭ দিনের মধ্যে উপসর্গের উন্নতি অনুভব করেন।
১৪-২০ দিনের ব্যবহারে ৯৩.৪% রোগীর প্রস্রাবজনিত সমস্যা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
৩০ দিনের কোর্স শেষে ৯৮.৭% রোগী যৌ.ন ক্ষমতা ও প্রোস্টেট স্বাস্থ্য ফিরে পান।
এই ওষুধ ইতোমধ্যে আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপে চিকিৎসকদের দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কার্যকারিতায় প্রমাণিত।
এখন বাংলাদেশের প্রতিটি প্রোস্টেট সমস্যায় আক্রান্ত পুরুষ Prostulin F-এর মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জীবনে ফিরতে পারেন।